• facebook
  • twitter
Saturday, 5 April, 2025

মাতৃভাষা দিবসের অমর্যাদা করেছেন ইউনূস: আওয়ামী লীগ

মহান এই দিনে দায়সারা গোছের কর্মসূচি পালন হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এর পাশপাশি একুশে ফেব্রুয়ারিতে বইমেলায় উপচে পড়া ভিড় এবার দেখা যায়নি।

ভাষাদিবসে নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থেকেছে বাংলাদেশ। একদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বছরের পর বছর ধরে চলে আসা রীতি ভেঙেছেন, অন্যদিকে মাতৃভাষা দিবসের একাধিক অনুষ্ঠানে মৌলবাদীরা হামলা চালিয়েছে। মহান এই দিনে দায়সারা গোছের কর্মসূচি পালন হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এর পাশপাশি একুশে ফেব্রুয়ারিতে বইমেলায় উপচে পড়া ভিড় এবার দেখা যায়নি। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে এবার মুখ খুলল বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এ বছর অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের ক্ষেত্রে দেশবাসী সম্পূর্ণ এক নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলো। একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান একইসাথে শ্রদ্ধা নিবেদন ছিল বিগত বছরগুলোতে অলিখিত রীতি। সেই রীতি ভঙ্গ করে খুনি ফ্যাসিস্ট ডেভিল ইউনূস। রাষ্ট্রপ্রধান শ্রদ্ধা নিবেদনের ১০ মিনিট পর সে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। শুধু রীতিগত এই বিষয় নয়, শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পুরো বিষয়টিই একটি ভিন্ন আবহের মধ্য দিয়ে ঘটে। প্রতি বছরের ন্যায় প্রভাতফেরি সহকারে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা মানুষের ঢলও তেমন পরিলক্ষিত হয়নি এবং চির আবেদন সৃষ্টিকারী সেই অমর গান ‘ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ‘ এই গানটিও তেমন বাজানো হয়নি। একুশে ফেব্রুয়ারিতে বইমেলায় একটা উপচে পড়া ভিড় থাকার কথা থাকলেও অর্ধদিবস পর্যন্ত বইমেলা ছিল প্রায় জনশূন্য।’

আওয়ামী লিগের বক্তব্য, ‘দেশের বিভিন্ন জায়গায় শহিদ মিনার ভাঙ্গা হয়েছে। শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে শহিদ বেদিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে এবং জানমালের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। দেশব্যাপী খুন,ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও রাহাজানি লাগামহীনভাবে চলছে। সম্প্রতি প্রায় ৫০জন যাত্রী নিয়ে রাজশাহীগামী একটি বাসে ডাকাতির পাশাপাশি কমপক্ষে দুজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়। এই ডেভিল সর্দার ফ্যাসিস্ট ইউনূস বাংলাদেশকে খুনের দেশ, ধর্ষণের দেশ, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের দেশে রূপান্তরিত করেছে।…যে সরকার মানুষের ন্যূনতম নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় সেই গনবিরোধী সরকার কোনোভাবেই ক্ষমতায় থাকতে পারে না। যেখানে মানুষের মুক্ত চিন্তার অধিকার নেই, বাকস্বাধীনতা নেই সেখানে ভাষার উৎকর্ষ সাধিত হয় না। বাংলা ভাষার মান-মর্যাদা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগণকে এই অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

News Hub