জীবনের প্রথম লড়াই ছিল ওয়েনাড় উপনির্বাচন। আর সেই প্রথম লড়াইতেই দাদা রাহুলকে ছা পিয়ে গেলেন প্রিয়াঙ্কা। এই কেন্দ্রে ৪ লক্ষ, ৮ হাজার ৩৬টি ভোটে জিতলেন প্রিয়াঙ্কা। অনেক পিছনে পড়ে রইলেন তাঁর অপর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআইয়ের সত্যেন মোকেরি এবং বিজেপির নভ্যা হরিদাস। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি এই কেন্দ্রে প্রিয়াঙ্কার জয় নিশ্চিতই ছিল। তুলনা করা হয়েছিল তাঁর দাদা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ব্যবধানের বাড়া-কমা নিয়ে। আর সেখানেও বাজিমাত করলেন প্রিয়াঙ্কা। রাহুল গান্ধীর প্রাপ্ত ভোটের অঙ্ককে উড়িয়ে দিয়ে জয়ী ছিনিয়ে নিলেন হাসতে হাসতে। একপেশে লড়াইয়ের পর ৪ লক্ষ ৮ হাজার ৩৬টি ভোট পেয়ে জিতলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
লোকসভা নির্বাচনে রাহুল গান্ধী কেরালার এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন ৬ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪৪৫ ভোটে। নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তাঁর জয়ের ব্যবধান ছিল ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২২। সেই রেকর্ড ভেঙে ফেললেন প্রিয়াঙ্কা।
এপ্রিলের লোকসভা ভোটে ওয়েনাড়ে ভোট পড়েছিল ৭৩.৫৭ শতাংশ ভোট। এবার পড়েছিল ৬৪.৭১ শতাংশ। ভোটের হার এতটা কমায় অনেকেই মনে করেছিলেন প্রিয়াঙ্কার জয়ের ব্যবধান রাহুলের থেকে কমতে পারে। কিন্তু সেই অনুমানও মিথ্যে হল।