উত্তর প্রদেশের বিজনৌরে চিতাবাঘের আক্রমণে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। মহিলার মৃতদেহ তাঁর বাড়ি থেকে ২ কিলোমিটার দূরে একটি আখের ক্ষেতে মিলেছে। ওই মহিলা পশুদের জন্য খাবার আনতে মাঠে গিয়েছিলেন। সেই সময় চিতাবাঘটি তাঁকে আক্রমণ করে। চিতাবাঘটি মহিলার মাথা এবং পা খেয়ে ফেলে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহিলার মৃতদেহ হেফাজতে নেয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। চিতাবাঘটিকে ধরার জন্য বন বিভাগ উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।
বিজনৌরের চাঁদপুরের চৌধেদি গ্রামের বাসিন্দা সুমন (৩৫) তাঁর পশুদের জন্য খাবার সংগ্রহ করতে জঙ্গলে গিয়েছিলেন। দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফেরেননি। সেই সময় পরিবারের লোকজন ওই মহিলাকে খুঁজতে শুরু করেন। বাড়ির আশপাশে কোথাও তাঁর খোঁজ মেলেনি। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজতে জঙ্গলে যায়, যেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় মহিলার দেহ পড়ে ছিল। চিতাবাঘের আক্রমণে মহিলার মাথা এবং পা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্ত্রীর মৃতদেহ দেখে স্বামী জয়পাল সিং অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনার পর পরিবারের সদস্য এবং গ্রামবাসীরা বন বিভাগের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে হট্টগোল শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বন বিভাগের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিবারটি ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকায় চিতাবাঘটি প্রায়ই দেখা যাচ্ছিল, কিন্তু বন বিভাগ এটি ধরার জন্য কোনও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেনি।
চাঁদপুরের রেঞ্জার দুষ্যন্ত সিং চিতাবাঘের আক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রামবাসীরাও জানিয়েছেন, চিতাবাঘের আক্রমণে মহিলার মৃত্যু হয়েছে। চাঁদপুরের এসডিএম নীতিন তেওয়াটিয়া জানিয়েছেন, মৃতের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।