• facebook
  • twitter
Thursday, 3 April, 2025

বাংলাদেশে হিংসার অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

অন্য দেশের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট কী ভাবে কিছু বলবে!

ফাইল চিত্র

বাংলাদেশের হিংসা প্রসঙ্গে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করে দিল ভারতের শীর্ষ আদালত। উল্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বিষয়টি নিয়ে সরকারের কাছে আর্জি জানানোর পরামর্শ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না বলেন, অন্য দেশের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট কী ভাবে কিছু বলবে!

প্রসঙ্গত গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে বাংলাদেশে বেশ কিছু সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় এদেশের সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলায় ভারতীয় হাই কমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানান তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে শীর্ষ আদালতকে হস্তক্ষেপের দাবি জানান মামলাকারীরা। তাঁরা দাবি করেন, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও বিদেশ মন্ত্রক এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিক।

সোমবার সেই মামলাটি ওঠে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব ও খান্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে। কিন্তু বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। শীর্ষ আদালত এদিন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হবে না। এদিন মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি পাল্টা প্রশ্ন করেন, অন্য দেশের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট কী ভাবে মন্তব্য করতে পারে?

প্রধান বিচারপতি খান্না বলেন, ‘এটি অন্য দেশের বিষয়। এই আদালত সুপ্রিম কোর্ট কী ভাবে অন্য দেশের বিষয়ে মন্তব্য করতে পারে? অন্য দেশের কোনও বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা আদালতের পক্ষে খুব অদ্ভুত হবে, তা-ও যখন সেটি একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এই বিষয়টি আদৌ আমাদের বিবেচনার জন্য নয়। আপনার কী মনে হয়, সরকার এ বিষয়ে জানে না? আদালত এ বিষয়ে কী বলতে পারে?’

এদিন মামলাটির শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি খন্নার এজলাসে মামলাকারীর হয়ে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তখন দুই বিচারপতির বেঞ্চ তাঁকে পরামর্শ দেয় মামলাটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য। এবং মামলাকারীকে নিজের বক্তব্য সরকারের কাছে জানানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সেই মতো মামলাটি প্রত্যাহারের আর্জি জানান রোহতগি। ‘লাইভ ল’ ওয়েবসাইট অনুসারে এই তথ্য জানা গিয়েছে।