মধ্যপ্রদেশে একই ধাঁচে ‘লাডলি বহনা’ প্রকল্প চালু করেছিলেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। ফলও মিলেছিল হাতে হাতে। কর্নাটকেও কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্ষমতায় এলে ‘গৃহলক্ষ্মী’ প্রকল্পে মহিলাদের মাসে দু’হাজার টাকা করে দেবে। ভোটে জিতে তা বাস্তবায়িতও করেছেন সিদ্দারামাইয়া, ডিকে শিবকুমারেরা। একই রকম ভাবে তেলেঙ্গানায় ‘মহালক্ষ্মী’ প্রকল্প ক্ষমতায় আনে কংগ্রেসকে ।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে কম বিতর্ক বইতে হয়নি মমতাকে। মহিলা ভোট কুড়োতে মমতা এই প্রকল্প করেছেন বলে ঝড় তোলে বিরোধীরা। কিন্তু নির্বাচিনী প্রচারে বিজেপি নিজেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা করার প্রতিশ্রুতি দেয়। রাজ্যে গেরুয়া শিবির ক্ষমতায় এলে মহিলারা আগের চেয়ে বেশি টাকা পাবেন বলে ঘোষণাও করেছিলেন অমিত শাহ। সুতরাং বিভিন্ন রাজ্যে জয়ের নেপথ্যে যে কাজ করেছে মমতার লক্ষ্মীর ভান্ডারের ম্যাজিক তা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই।