এবার চিরাচরিত ধারণার বাইরে ভিন্নমত পোষণ করলো এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ‘সম্মতি থাকলে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হওয়া অপরাধ নয়। তবে তা দেশের প্রচলিত সামাজিক ধারণার বিরোধী। নীতিগত ভাবে ঠিক নয়।’ একটি গণধর্ষণ মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ ইলাহাবাদ হাইকোর্ট এর।
বিচারপতি স্পষ্ট না বললেও তিনি আসলে বিবাহের। দুই প্রাপ্তবয়স্কের যৌন সম্পর্ক নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন বলে মত আইনজীবী মহলের। আদালত সূত্রে প্রকাশ, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ইলাহাবাদে নির্যাতিতা নাবালিকা তার পুরুষবন্ধু রাজুর সঙ্গে এক নদীর ধারে দেখা করতে গিয়েছিল।
কিছু ক্ষণ পরে সেখানে আরও তিন জন পৌঁছয়। যারা মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। রাজুকে মারধর করে ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। গত ২০ ফ্রেব্রুয়ারি কৌশাম্বির অকিল সরাই থানায় পকসো আইনে গণধর্ষণের মামলা করে নির্যাতিতা।
সেই মামলায় এক অভিযুক্তের জামিনের আর্জি গত শনিবার নাকচ করে কোর্ট। এ ক্ষেত্রে নির্যাতিতা যদিও নাবালিকা। তবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক নিয়েও মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, পুরুষসঙ্গীর দায়িত্ব হল সঙ্গিনীকে রক্ষা করা।