যোশীমঠ থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে কর্ণপ্রয়াগেও বেশ কয়েকটি বাড়িতে বড় ফাটল তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকটি পরিবার পৌরসভার আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন। এই শহরের একদম কাছেই জোরকদমে চলছে হৃষীকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেললাইন এবং বছরের যেকোনো সময়ে চারধাম যাওয়া সুনিশ্চিত করতে পরিকল্পিত রাস্তার কাজ। চারধাম যাত্রায় সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করতে সরকারের তরফে এই উন্নয়নের কাজে হাত লাগানো হলেও কর্ণপ্রয়াগে মানুষদের দাবি, এই উন্নয়নই কাল হয়েছে তাঁদের।
রেললাইন তৈরির প্রভাব পড়েছে হৃষীকেশেও, দাবি স্থানীয়দের। হৃষীকেশের আটলি গ্রামে অন্তত ৮৫টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, হৃষীকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেল প্রকল্পে আওতায় রেলের টানেল তৈরির জন্য এই অবস্থা হয়েছে আটলি গ্রামের। গ্রামবাসীরা জানান, এলাকার প্রায় সব ঘরবাড়ি ও কৃষি জমিতে ফাটল দেখা দিতে শুরু করেছে।
বিশেষজ্ঞমহলের দাবি, পর্যাপ্ত পরিকল্পনা ছাড়াই প্রকান্ড নির্মাণ প্রকল্প , জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।