সমবায় নির্বাচনে সবুজ ঝড়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির ভুবনখালির সমবায় ভোটে জয় পেল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ৩০ বছর এই সমবায়ে ঘাসফুল ফুটল। এই জয়ের ফলে উচ্ছ্বসিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এর কারণ বিধানসভা-লোকসভায় একচ্ছত্রভাবে দাপিয়ে বেড়ালেও কুলতলি ভুবনখালির সমবায়ে এতদিন দাঁত ফোটাতে পারছিল না ঘাসফুল শিবির।
কুলতলি বিধানসভা এলাকার চুপড়িঝাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুবনখালি সমবায় সমিতিতে ৯টি আসন রয়েছে। প্রতিটি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিল শাসক শিবির। তবে বিরোধীরা কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। সেই কারণেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে ঘাসফুল শিবির। দীর্ঘ তিরিশ বছর ধরে এসইউসিআই-এর দখলে থাকার পর রবিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের দখলে নেয় ভুবনখালি সমবায়।
চুপড়িঝাড়া অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সালাউদ্দিন ঢালি বলেন,এখানে বিরোধী বলে কিছু নেই। সমবায় নয়, আমাদের টার্গেট ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। আমরা চেষ্টা করব বিধানসভায় বড় মার্জিনে জিততে। আর এই সমবায় দীর্ঘদিন বিরোধীরা দখল করেছিল। এত দিন ধরে এত দুর্নীতি করেছে যে ওদের এতটুকু সাহস নেই যে নির্বাচনে লড়বে।
যদিও এর পাল্টা বিরোধীদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সমবায় দখলে আসার পর আবীর খেলায় মেতে ওঠেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। প্রসঙ্গত, এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক সমবায় নির্বাচনে জয়ী হয় তৃণমূল। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক জয় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করবে, এমনটাই মত ওয়াকিবহল মহলের।