দিন কয়েক আগেই তুতো ভাইকে গায়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানা এলাকার মতো একই প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটল উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলায়। দুই বিঘা জমির দখল নিয়ে রীতিমতো ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধল কোচবিহারের শীতলকুচিতে। বাঁশ, লাঠি দিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। আর তার জেরে জখম হলেন কমপক্ষে ১০ জন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
সম্পর্কে দুই ভাই মোসলেম মিয়াঁ ও রিয়াজুল মিয়াঁর বাড়ি শীতলকুচির নেওয়াপাড়া গ্রামে। পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ হলেও ওই দু’বিঘা জমি নিয়ে গন্ডগোল চলছিল। রিয়াজুল মিয়াঁর দাবি, এই জমির মালিক তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রয়েছেন মোসলেম মিয়াঁরা। কোর্টের অর্ডার কপি দেখানোর কথাও বলেন তিনি।
যদিও সেই কথা মানতে চায়নি অপরপক্ষ। মঙ্গলবার সকালে মোসলেম মিয়াঁ ট্রাক্টর দিয়ে চাষ শুরু করতে যান। সেই সময় রিয়াজুল মিয়াঁর পরিবার কাজে বাধা দেয়। এরপর মোসলেম মিয়াঁরা গরু নিয়ে এসে চাষের কাজ শুরু করতে যান বলে অভিযোগ। কিন্তু তাঁদের বাধা দেয় রিয়াজুল গোষ্ঠী। মাঠের মধ্যেই শুরু হয়ে যায় মারামারি।
বাঁশ-লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয়। বাঁশ-লাঠির আঘাতে একাধিক ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। শীতলকুচি থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। একাধিক লাঠি, বাঁশ উদ্ধার করা হয়েছে। দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।