• facebook
  • twitter
Monday, 31 March, 2025

কাঁথিতে সমবায় ভোটে বাহিনী চাওয়ার আবেদন খারিজ

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথির সমবায় কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাঙ্কের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথির সমবায় কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাঙ্কের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হচ্ছে? তার সাপেক্ষে প্রমাণ দিতে হবে বলে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের।পুলিশই যথেষ্ট নিরাপত্তা দিচ্ছে বলেও পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের।আগামী শনিবার কাঁথির সমবায় কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাঙ্কের নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। তাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন স্বপন বেরা নামে এক ব্যক্তি। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ওঠে মামলা। এদিন এই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, -‘কেন্দ্রীয় বাহিনীতে সায় নেই আদালতের। মামলার গ্রহণযোগ্যতাই নেই, তাই আবেদন খারিজ করা হল’। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্পষ্টতই বলেন, “প্রয়োজনে শীর্ষ আদালতে যান। এটা জনস্বার্থ মামলা নয়।”

পাল্টা মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “প্রশাসনের শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে অসুবিধা কোথায়?” উত্তরে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এসে শুধু বললেই হয় না, অনুমান করলেই হয় না। কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছেন, তার প্রমাণ দিতে হবে। পুলিশ যথেষ্ট নিরাপত্তা দিচ্ছে।” ২০২৪ সালে ওই একই জায়গায় একটি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। পাঁচটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ছিল বাহিনী। বুথে সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কাঁথির এবারের সমবায় কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাঙ্কের নির্বাচনেও অশান্তির আশঙ্কা করছেন মামলাকারী। শাসকদলের সমর্থিত প্রার্থীরা অশান্তি করতে পারে বলে অনুমান। অশান্তির সম্ভাবনার কথা ধরেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানিয়েছেন তিনি।যদিও কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম জানিয়ে দেন, “ওই যুক্তি এখানে খাটে না। আপনারা এ ব্যাপারে একক বেঞ্চে মামলা করুন। এছাড়া আবেদনকারী নিজে ওই নির্বাচনের একজন প্রার্থী। এরফলে এই মামলাকে জনস্বার্থ মামলা বলা যায় না।” জানা গেছে, এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে জেলা পুলিশ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।