বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে উঠে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা। নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে আগেই আদালতের নির্দেশে চাকরি খুইয়েছিলেন তৃণমূলের শিক্ষক নেতা সিরাজুল ইসলাম। এহেন অভিযুক্তকেই জেলা শিক্ষা দফতরের বিশেষ পদে কীভাবে নিয়োগ করা হল? তা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। ‘অবিলম্বে তৃণমূলের অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত’।
এদিন এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ‘২০১১ সালে সেকেন্ডারি এডুকেশনের নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ায় সিরাজুল ইসলামের। সেই সময় কলকাতা হাইকোর্ট একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিল। এবং সেই কমিটি জানায়, ‘সিরাজুল ইসলাম ওই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এবং দুর্নীতি করেই তিনি চাকরি পেয়েছেন’। এর পরই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তার চাকরি বাতিল করা হয়। অভিযোগ, হাওড়ার প্রভাবশালী এই নেতাকে এরপর বিশেষ পদে বসিয়েছিল রাজ্য। অভিযোগ, শিক্ষা দফতরের বিশেষ পদে বসেও বিস্তর দুর্নীতি করেন সিরাজুল। এ নিয়ে রাজ্যের উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ মামলাও দায়ের হয়। ওই মামলার সূত্র ধরেই এবার অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ। একই সঙ্গে দুর্নীতির দায়ে চাকরি খোওয়ানো একজন নেতা কীভাবে সরকারের বিশেষ পদে নিযুক্ত হলেন? সেই প্রশ্নও তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট।